হৃদয়ের সহজাত লুকোচুরিতে রোদ্দুর হও চেয়েছিলাম ;
সময়ের নীলাভ ঘূর্ণিপাকে তুষার ঝড় হলে
স্তব্ধ পাথর ভেঙে ভেঙে শক্ত সমর্থ ঢেউ হলে
দৃশ্যমান জলরাশি দিগন্তমুখী সমীরণ ছুঁয়ে ছুঁয়ে
সফেদ কাশবনে মৃদু হিল্লোল তুললো কুন্তল রোলে ;
অজস্র প্রবহমান বিভার সঞ্চারী ;
সুষমা মেঘের রূপোলী জল গড়ে গড়ে
অভিমানী দাতাকর্ণ হলে উচ্ছ্বসিত সমুদ্র কোলে ।
চক্রাকারে বাঁধতে চাইলে...
বেলাভুমির নৈশপুরের জলদস্যু হলে
দুর্ধর্ষ শিকারী হলে হরিত বুনো পিঙের ;
তোমার ইচ্ছেমুঠোয় ঝাপাঝাপিতে তার অহর্নিশি
চাইলে অসংখ্য সুরলহরী রিনিঝিনি ঝর্ণা নামাও
স্তব্ধতায় চুপটি করে বসিয়ে রাখো গোধূলিরাঙা চক্ষু নিয়ে;
প্রচণ্ড বাধ্যগত পঙ্খী তোমার; আর
তোমার রহস্যপুরী দুঃসাহসিক সৌন্দর্য দেখে আমি কূল পাইনে ...
___________পাহাড়ী
Thursday, January 5, 2012
অপেক্ষা......
একদিন তোমায় দেখতে গিয়েছিলাম
নির্জন কোন এক জোছনা ভরা রাতে
নির্লজ্জের মত ঘন্টার পড় ঘন্টা দাঁড়িয়ে
তোমার জন্য অপেক্ষা করেছি
তুমি তো পাষানী ছিলেনা !
তাহলে কেন অভিমান করেছিলে ?
তোমার আশায় সেদিন ভোরের রবি দেখেছিলাম
ধলদিঘীর পাড়ে কাটিয়েছিলাম অনেক বেলা
তোমার পথপানে অনন্ত অপেক্ষায়॥
___________জসিমু্দ্দীন মারুফ
'উপহাস..''
অনেকদিনপর আজ কাদঁলাম্--
নির্বাক চোখে দিগন্তে তাকিয়ে থেকে,
শুধু অশ্রু বর্ষন করলাম!
চিৎকার করে এখন আর কাদঁতে পারি না,
চার বছরের বুনিত স্বপ্নগুলো আজ,এক মুহূর্তের অভিশাপে ভেঙ্গে গেলো।
হাসি পাচ্ছে,নিজের ভাগ্য দেখে পরিহাসের হাসি--
নিজেকে খুব ঘেন্না লাগছে,এতোটা খারাপ আগে কখনো ভাবিনি নিজেকে।
আঠারোতে পা দিয়ে আজ আমি হতবাক!!
কি পেয়েছি নিজের জন্য,কি পাইনি এই ছোট্ট জীবনে..
হিসেব কষতে গিয়ে দেখলাম--
না পাওয়ার পাল্লাটার ভারে আমি মুষরে যাচ্ছি!
এখন আমি জীবন থেকে বিরতি চাই--
হাপিয়ে গেছি,ক্লান্ত হয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছি বার বার।
এখন আমি স্বপ্ন দেখতে ভয় পাই,
কেউ স্বপ্ন দেখালে মনে হয় আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করছে হয়ত!
হাসি পায়,খুব হাসি পায় নিজের ভাগ্য দেখে!
আঠারোতে দাড়িয়ে পিছন ফিরলে--
সেই ৫/৬ বছরের আমিকে দেখতে পাই,
যে কিনা ছোট্ট ছোট্ট পায়ে আলোকিত করতো ঘর,
যার দু'চোখে ভরা স্বপ্ন শুধুই অনুপ্রেরনা দেয়।
আর সামনে তাকালে বর্বরতায় ভরপুর এক জীবন দেখা যায়,
যে জীবন গ্রাস করে নেয় সব স্বপ্ন!ভয় হয়,ভীষন ভয় হয় আমার!!
আর বর্তমান??হাঃ হাঃ হাঃ হাসি পায়,খুব হাসি পায়
উপহাসের হাসি,নিজের প্রতি ঘেন্না হয়!!
____________ইলা
বাসি ফুলগুলো.....
ফুলদানিতে বাসি ফুলগুলো..
মনে করিয়ে দেয় এই তো সেদিন
ফুলগুলো দিয়ে বলেছিলে.......
হয়ত শুকিয়ে যাবে ফুল,
ঘ্রাণও আর ভেসে বেড়াবে
না বাতাসে।
তবু মনে রেখো এই কথাটি
আমার ভালোবাসা কোনদিন
শুকিয়ে যাবে না, ভালোবাসার
ঘ্রাণও থেকে যাবে চিরকাল
মনে পড়তেই বাসি ফুলগুলোকে
বুকে জড়িয়ে ঘ্রাণ নিতে থাকি.....
________জান্নাতী
মনে করিয়ে দেয় এই তো সেদিন
ফুলগুলো দিয়ে বলেছিলে.......
হয়ত শুকিয়ে যাবে ফুল,
ঘ্রাণও আর ভেসে বেড়াবে
না বাতাসে।
তবু মনে রেখো এই কথাটি
আমার ভালোবাসা কোনদিন
শুকিয়ে যাবে না, ভালোবাসার
ঘ্রাণও থেকে যাবে চিরকাল
মনে পড়তেই বাসি ফুলগুলোকে
বুকে জড়িয়ে ঘ্রাণ নিতে থাকি.....
________জান্নাতী
কান্না, বৃষ্টি আর একটা প্রজাপতি !
কি আশ্চর্য! তুমি আমাকে মিথ্যে বলেছিলে? তুমি সাদা প্রজাপতি ভালবাসো না?
ওটার শুভ্র ডানার আলতো স্পর্শে তুমি পুলকিত হও না?
আচ্ছা, নিছক এক ডালি মিথ্যে কথার খেয়ায় তুমি আমাকে কেন ভাসিয়ে দিলে? একবারও কি ভেবে দেখছ যে, এই একলা আমি নিঃসঙ্গ তরী টি বাইতে বাইতে অজুত ক্রোশ দূরের কোন সলিল পথের বাঁকে নিতান্তই নিস্তেজ আত্মায় নির্বাক নিরব সুরে নির্মীলিন হয়ে যাবো.. নিরালায় জানবে না কেউ ই !
ইন্দ্রধনুর সাতরাঙা পালক গুলো থেকে বিচ্ছুরিত আলোকের রশ্মি গুলো কখনোই কিন্তু চোখ ধাঁধিয়ে দেয় না.. তারপরও রঙধনুর রূপে নিজেকে রাঙিয়ে তুমি কেমন করে আমাকে গ্রাস করে নিয়েছিলে.. আজও যার সুপ্ত বেদনার সুর হৃদয়ের তানপুরাটায় ক্ষণে ক্ষণে করুণ সুরের মিছিলে বেজে উঠে !
স্তব্ধ এক রাত্রির নিস্তব্ধ মায়ার বুক চিরে হঠাৎ ই তুমি বলেছিলে, “পাশেই আছি”।
কি নির্মম তাই না? এখনও তুমি পাশেই আছ, কিন্তু যার পাশে, সে আমি নই।
শুকনো হাসিতে খিলখিল করে তনু মন তাই উচ্ছ্বল হয়ে উঠতে চাচ্ছে, আচ্ছা আমি কি তাদের বাঁধা দিবো?
অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে পরখ করে নেবার অসম্ভব ক্ষমতা আমি স্রষ্টার কাছ থেকে আদায় করে নিতে পারিনি.. তাই তোমার অন্তরাঙ্গে প্রবেশ করাও আমার আর হয়ে উঠেনি.. বাইরের স্বতঃস্ফূর্ত ভালবাসায় আমি তাই অস্থির হয়েছিলাম.. ভুল করে মিথ্যে মায়ার ধূম্রজালে নিজেকে জড়িয়ে
নিয়েছিলাম.. প্রায়শ্চিত্ত কি তবে আমার জন্যই নিশ্চিত নিয়তি !!
হৃদয়ের ভ্রমে ক্রোধ আর উন্নাসিক উগ্রতা না হয় বিসর্জন ই দিলাম.. কিন্তু তোমার মিথ্যে অভিনয় কি কোনদিন ও স্মৃতি থেকে বিসর্জিত হবে?
তুমি জানতে যে আমি সত্যি ই তোমাকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি জানতাম না- তুমি আমাকে মিথ্যে ভালোবাসার রাজটীকা পড়িয়ে দিচ্ছো !
তুমি যখন চেয়েছিলে তখন আমি একটা সাদা প্রজাপতি এনেছিলাম তোমার জন্য, ওটা আর তোমাকে দেওয়া হয়নি॥ তুমি কি জান – ওটার ডানা এখন আমার রক্তে অনেক লাল হয়ে গেছে। আমি খুব দুঃখিত, তোমার সাদা প্রজাপতি আর তোমাকে দেওয়া হলো না, তুমি তো লাল প্রজাপতি ঘৃণা করো, তাই না মেয়ে?
____________নিঝুম অরণ্য
ওটার শুভ্র ডানার আলতো স্পর্শে তুমি পুলকিত হও না?
আচ্ছা, নিছক এক ডালি মিথ্যে কথার খেয়ায় তুমি আমাকে কেন ভাসিয়ে দিলে? একবারও কি ভেবে দেখছ যে, এই একলা আমি নিঃসঙ্গ তরী টি বাইতে বাইতে অজুত ক্রোশ দূরের কোন সলিল পথের বাঁকে নিতান্তই নিস্তেজ আত্মায় নির্বাক নিরব সুরে নির্মীলিন হয়ে যাবো.. নিরালায় জানবে না কেউ ই !
ইন্দ্রধনুর সাতরাঙা পালক গুলো থেকে বিচ্ছুরিত আলোকের রশ্মি গুলো কখনোই কিন্তু চোখ ধাঁধিয়ে দেয় না.. তারপরও রঙধনুর রূপে নিজেকে রাঙিয়ে তুমি কেমন করে আমাকে গ্রাস করে নিয়েছিলে.. আজও যার সুপ্ত বেদনার সুর হৃদয়ের তানপুরাটায় ক্ষণে ক্ষণে করুণ সুরের মিছিলে বেজে উঠে !
স্তব্ধ এক রাত্রির নিস্তব্ধ মায়ার বুক চিরে হঠাৎ ই তুমি বলেছিলে, “পাশেই আছি”।
কি নির্মম তাই না? এখনও তুমি পাশেই আছ, কিন্তু যার পাশে, সে আমি নই।
শুকনো হাসিতে খিলখিল করে তনু মন তাই উচ্ছ্বল হয়ে উঠতে চাচ্ছে, আচ্ছা আমি কি তাদের বাঁধা দিবো?
অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে তোমাকে পরখ করে নেবার অসম্ভব ক্ষমতা আমি স্রষ্টার কাছ থেকে আদায় করে নিতে পারিনি.. তাই তোমার অন্তরাঙ্গে প্রবেশ করাও আমার আর হয়ে উঠেনি.. বাইরের স্বতঃস্ফূর্ত ভালবাসায় আমি তাই অস্থির হয়েছিলাম.. ভুল করে মিথ্যে মায়ার ধূম্রজালে নিজেকে জড়িয়ে
নিয়েছিলাম.. প্রায়শ্চিত্ত কি তবে আমার জন্যই নিশ্চিত নিয়তি !!হৃদয়ের ভ্রমে ক্রোধ আর উন্নাসিক উগ্রতা না হয় বিসর্জন ই দিলাম.. কিন্তু তোমার মিথ্যে অভিনয় কি কোনদিন ও স্মৃতি থেকে বিসর্জিত হবে?
তুমি জানতে যে আমি সত্যি ই তোমাকে ভালোবাসি, কিন্তু আমি জানতাম না- তুমি আমাকে মিথ্যে ভালোবাসার রাজটীকা পড়িয়ে দিচ্ছো !
তুমি যখন চেয়েছিলে তখন আমি একটা সাদা প্রজাপতি এনেছিলাম তোমার জন্য, ওটা আর তোমাকে দেওয়া হয়নি॥ তুমি কি জান – ওটার ডানা এখন আমার রক্তে অনেক লাল হয়ে গেছে। আমি খুব দুঃখিত, তোমার সাদা প্রজাপতি আর তোমাকে দেওয়া হলো না, তুমি তো লাল প্রজাপতি ঘৃণা করো, তাই না মেয়ে?
____________নিঝুম অরণ্য
Sunday, January 1, 2012
বিবর্তনের পথ
স্থলচর
অনেক খুঁজেও
কোন রাস্তার দেখা মেলেনা আজ।
কেবলি পথ ভুল হয়ে যায়..
ভুল পথে ধাবমান হই ঝলকানো আলোয়
হুঁশ হারিয়ে ছুটি ত্রস্ত পায়ে
নেশা ধরানো চ্ছটার পিছু পিছু
এক প্যাঁচানো পথে
কাল্পনিক কোন রথে।
বুঝতে পারি, এ জ্বর নয় অন্য কিছু
অন্য কোন শাখাপ্রশাখাময় ভাবনা যতন
ঘিরে আছে ঘোর লাগানো নেশার মতন।
বনভূমে, আমি চলেছি প্রাচীন পথের খোঁজে।
বৈকালিক ছায়ার ছুড়ে দেয়া প্রশ্নের তীরগুলো
সম্ভোগে এক হায়ারোগ্লিফিক্স হয়ে ধরা দেয়
দূরে দূরে উড়ে বেড়ায় অচেনাভাবে
প্রবেশ করতে দেয়না ভেতরে..
বড্ডো আনমনে করে তোলে, ক্বচিৎ দাঁড়ালে
অপসৃয়মান হয়ে জুড়ে বসে ভাবনার আড়ালে।
_______আশরাফুল কবীর
তোমার জন্য...
আচ্ছা,আমি কথা বলতে গেলে তুমি আমাকে চুপ করিয়ে দাও কেন ......?
উচিত কথা বলি বলে.....নাকি নিস্তব্ধতায় খুঁজে পেতে চাও বলে....?
একেবারেতো মুখে আঙ্গুল দিয়ে,ইশারা করে খুব বলছ চুপ থাকতে....
নাহ,পারবনা চুপ করতে....একশবার কথা বলবো.....
জানি ঘরে ফিরে এলেই রাজ্যের জিজ্ঞাসা নিয়ে এঘর ওঘর করে খুজবে আমায় চোখে এক রাশ আকুতি নিয়ে.....
মুখেতো তোমার কথা ফুটবেনা জানি সেতো আমি ভালো করেই....
খালি পারো আমার সাথেই জেদ দেখাতে...........
আচ্ছা জেদ না হয় কর সে ঠিক আছে.....কিন্তু আমাকে যে ১৫ টা চিঠি লিখার কথা ছিল তা কবে দিবে বলোতো...?
মাত্র তো দিলে ৫ খানা....আরো কি ১০ দিন বসে থাকতে হবে....?
আমি কিন্তু বসে থাকতে পারবনা.....আর কত অপেখ্হা করব বলো...
সারাদিনেত সময় ই দাও না আর রাত্রি তে থাক তুমি ক্লান্ত....
বড্ড ফাকিবাজ হয়ে গেছ তুমি....অলসতায় ও কম যাও না.....
ওহ আরেকটা কথা বলে রাখি.....আমার চুল গুলো কিন্তু দিনে দিনে পাতলা হয়ে যাচ্ছে....বুড়ি হয়ে যাচ্ছি কিনা...
খোপাও করতে পারিনা ঠিক মত....চুলে আটকানো ক্লিপ গলে গলে পরে যায়....
তুমি না বলেছিলে ফুলের মালা কিনে আনবে খোপায় পরাবে বলে....?
দেখো আবার বেলী ফুল কিনে এনোনা কিন্তু.....তীব্র গন্ধে আমার মাথা ধরে যায়...
কাঠালী,হাসনুহেনা হলেই চলবে......ইশ শখ কত গন্ধ নিতে চাও আবার....
কাঠালী,হাস্নুহেনার সুবাসে আমার গন্ধ তুমি আলাদা করে পাবেতো..নাকি বারবার ছল করে বলবে ফুলের গন্ধ আর আমার গন্ধ একাকার হয়ে গেছে....?
ওহ ভালো কথা..তুমি না বলেছিলে গন্ধ নিয়ে তোমার কিসের যেন এক তত্ত্ব আছে তোমার......?
বললেনাত.......বড্ড ফাকিবাজ হয়েছ তুমি....ফসকে ফসকে যাও বারেবারে...
__________মেঘলা_দুপুর
Subscribe to:
Posts (Atom)